অন পেজ এসইও

অন পেজ এসইও

এক কথায় অন পেজ এসইও হলো আপনার ওয়েব সাইটের পোস্ট বা পেইজকে এমন ভাবে তৈরি করা যাতে সেটি গুগল রেংকিং এ প্রথম সারিতে আসে। আপনার আপনার পোস্টটি রেংক করানোর জন্য আপনার আর্টিকেলের মিনিমাম এই সাত টি কোয়ালিটি থাকতে হবে।
১: আপনার লেখা আর্টিকেল টি মিনিমাম ৩০০ ওয়ার্ড এর হতে হবে। এর কম হলে গুগল রেংকিং এ আসতে পারবে না। আরো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ৩০০ ওয়ার্ড তো স্বাভাবিক আর্টিকেল বা পেইজের জন্য ঠিক আছে কিন্তু আপনার কী-ওয়ার্ড যদি অনেক বেশি কম্পিটিটিভ হয়, যেমন: ” অনলাইন থেকে আয় ” এই কিওয়ার্ড টি কিন্তু অনেক বেশি কম্পিটিটিভ। এখানে rank পেতে চাইলে আপনাকে মিনিমাম ৯০০ ওয়ার্ড এর আর্টিকেল লিখতে হবে। এছাড়া আপনার কন্টেন্টটি অবশ্যই খুবই উন্নত মানের তো হতেই হবে।

২: দ্বিতীয় বিষয় হল কিওয়ার্ড ডেনসিটি। আপনার আর্টিকেল টির মধ্যে বা পেজ টির মধ্যে আপনার টার্গেট করা কী-ওয়ার্ডটি কতবার উল্লেখ আছে এটা হচ্ছে কিওয়ার্ড ডেনসিটি। ধরুন ” অনলাইন থেকে আয় ” এই কিওয়ার্ড টি নিয়েই আপনি একটি আর্টিকেল লিখেছেন। এখানে আপনার আর্টিকেল এর মধ্যে আপনার এই টাইটেল টা কতবার উল্লেখ আছে এটাই হচ্ছে কিওয়ার্ড ডেনসিটি। আপনার কিওয়ার্ড ডেনসিটি যদি ০.৫ থেকে ২.৫ এর মধ্যে হয় তাহলে আপনার আপনার কিওয়ার্ড রেঙ্ক পাবার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়। এর থেকে বেশি হলে আবার সেটা নেগেটিভ ফ্যাক্টরি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

৩: ট্যাগ ও ফোকাস কিওয়ার্ড সিলেক্ট করা । আপনার আর্টিকেল কে সঠিকভাবে অন পেজ এসইও করে রান করাতে চাইলে সঠিক ট্যাগ এবং ফোকাস কি ওয়ার্ড সিলেক্ট করা খুবই প্রয়োজনীয় । ট্যাগ সিলেক্ট করার জন্য আপনাকে গুগল কিওয়ার্ড প্ল্যানার এর সাহায্য নিতে হবে গুগল কিওয়ার্ড প্ল্যানার এ গিয়ে। আপনি যে ট্যাগগুলো দিতে চাচ্ছেন আপনার আর্টিকেলের জন্য সেগুলো আসলে প্রতিদিন কতবার সার্চ হয় এটা জানতে পারবেন গুগল কিওয়ার্ড প্ল্যানার থেকে। এছাড়া এমন সব কিওয়ার্ড দিন যেগুলো দিয়ে মানুষ গুগোলে আপনার আর্টিকেল কে সার্চ করতে পারে। এছাড়া আর ট্যাগ গুলোর আকার ৫ থেকে ১০ টি শব্দের মধ্যে রাখতে হবে।

৪: মেটা ডেসক্রিপশন হচ্ছে একটি কিওয়ার্ড রাঙ্ক করার জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আপনি যখন গুগোল বা বিং এর ওয়েবসাইটে কোন বিষয় লিখে সার্চ করেন তখন খেয়াল করেছেন যে সার্চে আসা কিওয়ার্ডগুলো সাথে কিছু তথ্য চার পাঁচ লাইন ডেসক্রিপশন আকারে লেখা থাকে। এই লেখা গুলোকে বলা হয় মেটা ডেসক্রিপশন। আপনি yoast seo প্লাগইন ব্যবহার করে আপনার পছন্দমত মেটা ডেসক্রিপশন দিতে পারবেন। খেয়াল রাখবেন আপনার এই ডেসক্রিপশন এ আপনার টার্গেট কিওয়ার্ড যেন একবার অবস্যই থাকে। এমন একটি ডেসক্রিপশন ব্যবহার করুন যাতে মানুষ আপনার লেখা টি দেখামাত্র আপনার সাইটে গিয়ে আর্টিকেলটি বা আপনার পেজটি পরে। উদাহরণস্বরূপ : আমার এই লেখাটিতে আপনি যখন গুগল থেকে প্রবেশ করেছেন তখন অবশ্যই এমন কিছু পেয়েছেন যাতে আপনার মনে প্রশ্ন বা আকাঙ্ক্ষা জেগেছে বিষয়টি সম্পূর্ণরূপে পড়ার ।

৫: ইন্টার্নাল লিংক বিল্ডিং: ইন্টারনাল লিংক বিল্ডিং হল আপনার ওয়েবসাইট এর ভেতরেই একটি পোস্টে অন্য পোস্টের লিংক দিয়ে দেয়া। যেমন এই পোস্ট টির মধ্যে আমি যদি অন্য কোন রিলেটেড পোস্ট এর লিঙ্ক দিয়ে দিই তবে এই বিষয়টি গুগল রেংকিং এর জন্য প্লাস পয়েন্ট। এই লিংক বিল্ডিং কিন্তু অফপেজ এসইও থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সঠিকভাবে অন পেজ এসইও করতে এটাকে অত্যাবশ্যকীয় কাজ।

৬: আপনার আর্টিকেলে বা পেইজে ছবি ব্যবহার করা অন পেজ এসইও এর জন্য আরো একটি দরকারি কাজ। আর্টিকেল বা পেইজ রিলেটেড ছবি ব্যবহার করে তার সাথে কিছু ট্যাগ ও ডেস্ক্রিপশন এড করে দিতে হবে। এতে আপনার পেইজ বা পোস্ট সার্চে আসার সম্ভাবনা আরো বেড়ে যায়। এর কারণ হলো আপনার দেয়া ছবিটা কেউ সার্চ করলে সেখানে আপনার আর্টিকেলটা এসে পড়ার সম্ভাবনা থাকে।

৭: yoast seo প্লাগইন ব্যবহার করে পোস্ট লিখলে আপনার লেখার অন পেজ এসইও ঠিক আছে কিনা তা খুব সহজেই ধরতে পারবেন। এই প্লাগিনটি খুবই কার্যকর এটা ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েব সাইটের জন্য ফ্রি পাওয়া যায়।

অফ পেজ এসইও থেকে অন পেজ এসইও বেশি জরুরী এ কারণে আপনার লেখাটিকে বা পেজটিকে ছারচে আনার ক্ষেত্রে অবশ্যই অন পেজ এসইও এর ব্যাপারে খেয়াল রাখতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *